সিদ্ধার্থের অতৃপ্ত আত্মা কী করতে চাইছে এখন? প্রেতবিশেষজ্ঞের ডাকে সাড়া দিলেন অভিনেতা,ভাইরাল ভিডিও

মৃত্যুর পর মানুষের সম্পর্কে চাইলেও আর কিছু জানা যায় না। মানুষ শেষ হয়ে যায় তার পর কোথায় যায় সে? কেমন হয় তার অবস্থা? সেকিতার প্রিয়জনকে কিছু বলতে চায়? তার অতৃপ্ত আত্মা কি খুঁজে বেড়ায় প্রিয়জনদের? এই সকল প্রশ্ন তাড়া করে বেড়ায় সব সময় মৃত ব্যক্তির আশেপাশের মানুষদের। কিন্তু সব সময় জানবার কোন উপায় থাকেনা। কারণ স্বাভাবিকভাবে অতৃপ্ত আত্মার গতিপ্রকৃতি জানা যায় না, তবে প্যারানরমাল বিশেষজ্ঞরা এই নিয়ে কাজ করে থাকেন।

 

যারা মারা যান ও এই পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে চলে যান, তাদের জন্য সবসময় একটা কষ্ট ও একটা চাপা শোক কাজ করে। মনে হয় কোনো ভাবে যদি তাদের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হতো।মৃত ব্যক্তির আত্মার সাথে যোগাযোগ করবার জন্য অনেকেই প্ল্যানচেট করে থাকেন। এক্ষেত্রে সেইসকল বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের ডাকা হয় ও সেই বিশেষজ্ঞদের সাহায্যে মৃত ব্যক্তির আত্মা কে হাজির করে এনে তার সাথে কথাবার্তা বলা হয়।

 

2019 এর 14 ই জুন অস্বাভাবিক ভাবে মৃত্যু হয়েছিলো বলিউডের তরুণ অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুত এর। তার মৃত্যুর পর তাঁর মৃত্যুর কারণ আসলে কী, তার মৃত্যুটি আসলে খুন না আত্মহত্যা তাই নিয়ে নানান রকম প্রসঙ্গ উঠে এসেছিলো। প্রচুর জলঘোলা হয়েছিল এই নিয়ে।

সেই সময় প্রেত বিশেষজ্ঞ স্টিভ হাফ সুশান্ত সিং রাজপুতের সাথে প্লানচেট করেন এবং সেই কথাবার্তা রেকর্ড করে ইউটিউবে আপলোড করেন এবং সেখানে তারা কেমন আছেন কী করছেন সেই সব কিছুই তারা জানতে পেরে যান। যদিও সেই কথা কিছু মানুষ বিশ্বাস করেছিলেন এবং কিছু মানুষ বিশ্বাস করেননি। তবে প্রেত বিশেষজ্ঞ তার কাজটা করেছিলেন।

 

কিছুদিন আগে যেমন অভিনেতা সিদ্ধার্থ শুক্লা মারা গিয়েছেন। তার হঠাৎ করে মৃত্যুতে মূহ্যমান হয়ে আছে তার অনুরাগীরা। জানা যাচ্ছে, এইবার সিদ্ধার্থের প্রেতাত্মাকেও প্রেত বিশেষজ্ঞ স্টিভ হাফ
প্ল্যানচেটের মাধ্যমে ডেকেছেন।

 

প্লানচেটের মাধ্যমে উপস্থিত হওয়ার পর সিদ্ধার্থ জানিয়েছেন, তিনি ঈশ্বরের কাছে আছেন। কাঁপা কাঁপা গলায় তিনি নিজের এই কথা জানিয়েছেন। তবে প্রেত বিশেষজ্ঞের এই সকল দুঃসাহসিক কাজকে অনেকেই বিশ্বাস করেন না। তারা মনে করেন,সবটাই বুজরুকি।

যদিও এই সকল অভিযোগকে অস্বীকার করেন স্টিভ, তার কথায় সিদ্ধার্থ এখন আকাশে রয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *