২৭তম যাত্রা উৎসব এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হল বারাসত কাছারি ময়দানে

২৭তম যাত্রা উৎসব এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হল বারাসত কাছারি ময়দানে। মঙ্গলবার এই যাত্রা উৎসবের উদ্বোধন করলেন রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উত্তর ২৪ পরগনার জেলাশাসক শরৎ কুমার ত্রিবেদী, জেলা পুলিশ সুপার রাজ নারায়ণ মুখার্জি,মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন, রথীন ঘোষ, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, জ্যোতিপ্ৰিয় মল্লিক, সুজিত বোস এছাড়াও বারাসাতের সাংসদ ডাঃ কাকলি ঘোষ দস্তিদার, বিধায়ক নারায়ণ গোস্বামী, বারাসাত পুরসভার পুরপ্রধান অশনি মুখার্জি, মধ্যমগ্রাম পুরসভার চেয়ারম্যান নিমাই ঘোষ সহ বিশিষ্টজনেরা।

আরো পড়ুন-‘মাসে হাজার টাকা…প্রতিশ্রুতি নয় প্রতিজ্ঞা!মেঘালয় ইস্তেহার নিয়ে মন্তব্য অভিষেকের

এদিন যাত্রা উৎসব অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে শীত বস্ত্র প্রদান করা হয়। যাত্রা উৎসবের উদ্বোধন করে মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস বলেন গত ৩৪বছরে যাত্রা উৎসব ধ্বংসস্তুপে পৌঁছে গেছিলো। কিন্তু ক্ষমতায় এসে মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর জাদুকাঠিতে তার আমূল পরিবর্তন হয়েছে। এদিন শুরু হওয়া এই যাত্রা উৎসব ৩২দিন ব্যাপী চলবে রাজ্যে। তারমধ্যে বারাসতে দু দিন চলবে যাত্রাউৎসব।

আরো পড়ুন-‘টাকা তো চাইবই,টাকা ওকে দেওয়া হয়েছে,টাকা চাইব না’:কুন্তল সম্পর্কে বিস্ফোরক তাপস মণ্ডল

এদিন মন্ত্রী আরও বলেন,, বাম আমলে বিনাদাসগুপ্ত স্মৃতি পুরুস্কার ছিলো বাৎসরিক ২০হাজার টাকা। কিন্তু সেটা এখন মুখ্যমন্ত্রী বাড়িয়ে ৫০হাজার টাকা করে দিয়েছেন। সারারাজ্যে যাত্রার সাথে জড়িয়ে আছে ৫লক্ষ্য মানুষ। যারা ২০০৯-২০১০সালে বাম আমলে মাত্র ৮০জন হাজার টাকা করে ভাতা পেতেন । এখন সেই ভাতা মুখ্যমন্ত্রী বাড়িয়ে ২৫হাজার মানুষ কে দিচ্ছেন । যাত্রার সঙ্গে জড়িত মানুষ সেই ভাতা পেয়ে উপকৃত ও হয়েছেন।আগে সারাবছরে যাত্রা পালা হতো ১৫-২০টা, এখন সেটা বছরে দাঁড়িয়েছে ৫০-৬০টা, এছাড়াও যাত্রা উৎসব গ্রামে গ্রামে করতে গেলে প্রশাসনিক অনুমতি র দরকার হতো, এখন সে বিষয়ে আমূল পরিবর্তন হয়েছে,মন্ত্রী জ্যোতিপ্ৰিয় মল্লিক বলেন,,দু বছর করোনার জন্য যাত্রা উৎসব বন্ধ ছিলো,বাম আমলে যাত্রা উৎসব কে চিতায় তুলে দেওয়া হয়েছিল! মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন,, মুখ্যমন্ত্রী বাংলার ঐতিহ্য কে যাত্রা উৎসবে মধ্যে দিয়ে বাঁচিয়ে রেখেছে ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *