স্ত্রীকে ফিরে পেতেই শ্বশুরবাড়ির সামনে ধর্ণা স্বামীর

নিউজ ডেস্ক: স্বামীর অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে শ্বশুরবাড়ির সংসার ফেলে বাপেরবাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিলেন এক গৃহবধূ। এবার সেই গৃহবধূকে ফিরে পেতেই শ্বশুরবাড়ির সামনে ধর্নায় বসল স্বামী। এমনই ঘটনা ঘটেছে জলপাইগুড়ি জেলার মাল ব্লকের কাঠামবাড়ি এলাকায়।

স্বামী চাইছেন তার স্ত্রী ও সন্তানকে নিজের বাড়িতে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে। যদিও স্বামীর সাথে নতুন করে ঘর সংসার করতে নারাজ গৃহবধূ। স্ত্রী সন্তানকে ফিরে না পেলে আত্মহত্যার হুমকি দিয়েছেন নাছোরবান্দা স্বামী।

আরও পড়ুন-নির্বাচন পরবর্তী হিংসায় নিহত বিজেপি কর্মী জে পি যাদব খুনের তদন্তে ভাটপাড়ায় CBI

গত ৩ বছর আগে গজলডোবা এলাকার হরিদাস মন্ডলের সাথে বিয়ে হয় কাঠামবাড়ি এলাকার বাসিন্দা রঞ্জিত মন্ডলের মেয়ে শংকরী মন্ডলের। তাদের বর্তমানে দেড় বছরের একটি কন্যা সন্তানও রয়েছে। বিয়ের পর থেকেই শংকরীর ওপর নির্যাতন চালাত স্বামী হরিদাস বলে অভিযোগ।

স্বামীর অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে বছর খানেক আগে নিজের কন্যা সন্তানকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে বাপের বাড়িতে আশ্রয় নেয় নির্যাতিতা এই গৃহবধূ। ছয়মাস আগে গৃহবধূ মাল থানায় বধূনির্যাতনের মামলাও করে।

আরও পড়ুন-মুখ্যমন্ত্রীর অনুপ্রেরণায় ‘পাড়ায় সমাধান’ শিবিরে অভিযোগ জানিয়ে পাকা রাস্তা পেল গ্রামবাসীরা

এদিকে বুধবার সকালে আচমকাই নিজের স্ত্রী সন্তানকে ফিরে পেতে শ্বশুরবাড়ির সামনে ধর্ণায় বসে হরিদাস মন্ডল। স্ত্রী ও সন্তানের ছবি নিয়ে ধর্ণা চলাকালীন ঘটনাস্থলে আসে ক্রান্তি ফাঁড়ির পুলিশ, স্থানীয় প্রধান অনুকুল বিশ্বাস ও পঞ্চায়েত সদস্য আপ্তাবুল আলম। তারা এসে হরিদাসকে বুঝিয়ে ধর্ণা থেকে উঠিয়ে দেয়। এই বিষয়ে হরিদাস মন্ডল বলেন, বহুদিন থেকে আমার বউ আমার সন্তানকে নিয়ে বাপের বাড়ি চলে এসেছে ।

এমতবস্থায় তিনি চান সন্তানসহ নিজের বউকে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে। কিন্তু শ্বশুরবাড়ি থেকে আমার বউকে আমার হাতে তুলে দিতে নারাজ। তাই আমি শ্বশুর বাড়ির সামনে ধরনায় বসি। যদি আমার বউকে ফিরিয়ে না দেয় তাহলে আমি আত্মহত্যার পথ বেছে নেবো।

আরও পড়ুন-যোগী রাজ্যের সঙ্গে জুড়ছে উত্তরবঙ্গ, শিলিগুড়ি পর্যন্ত এবার এক্সপ্রেসওয়ে

অন্যদিকে শংকরী মন্ডলের, অভিযোগ স্বামীর অত্যাচারে আমি চলে এসেছি বাপের বাড়িতে। আমি কোনভাবেই ওর সঙ্গে আর সংসার করতে চাই না। এবং আমি আমার স্বামীর কাছে ফিরে যাব না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *